images 32
মহাবিশ্ব

ধুমকেতুর শেষ পরিণতি কী হয়?

কুইপার বেল্ট ও ওর্ট মেঘে থাকা অবস্হায় ধুমকেতুগুলো মোটামুটি সুস্হিত অবস্হায় থাকে। কিন্তু যখন তাদের সে কক্ষপথ পরিবর্তিত হয়ে সৌরজগতের ভেতরে সুর্যের দিকে অগ্রসর হতে থাকে তখন থেকেই তাদের অবস্হা অস্হিতিশীল হয়ে যায়। সুর্যের নিকট প্রথম আবর্তনটি সম্পন্ন করতে পারে এবং এরপর পুনরায় তার উৎপত্তিস্হল ওর্ট মেঘ বা কুইপার বেল্টে চলে যায়। এরপর দ্বিতীয়বার যখন […]

images 28
মহাবিশ্ব

ধুমকেতু কত প্রকার ও কি কি?

সুর্যের চারপাশে আবর্তনরত ধুমকেতুগুলোকে দুভাগে ভাগ করা যায়।  i) স্বল্পস্হায়ী ধূমকেতু (Short Period Comet) এবং ii) দীর্ঘস্হায়ী ধূমকেতু (Long Period Comet)। সৌরজগতে ধুমকেতুগুলো অতীতে ঠিক কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিলো তা বেশ অজানা। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় ধারনা করা হয়, সৌরজগত সৃষ্টির সময়ই ধূমকেতুগুলো কোনভাবে সৃষ্টি হয়েছিলো এবং সেগুলো স্হায়ীভাবে সৌরজগত সৃষ্টির পর অবশিষ্ট বস্তু দ্বারা গঠিত কুইপার […]

images 26
মহাবিশ্ব

ধুমকেতুর নামকরণ করা হয় কীভাবে?

ধুমকেতুর নামকরণ করা হয় সাধারনত তার আবিষ্কারকের নামানুসারে৷ যেমনঃ এডমন্ড হ্যালি কতৃক আবিষ্কৃত ধুমকেতুর নাম রাখা হয় Hally’s Comet, ক্যারোলিন শোমেকার এবং ডেভিড লেভি কতৃক আবিষ্কৃত ধুমকেতুর নামকরন করা হয় Shoemaker-Lavy-9। তবে আবার বিভিন্ন মিশন চালনার মাধ্যমেও ধুমকেতু শনাক্ত করা হয়। তখন তাদের নামকরণ করা হয় সেসব মিশনের নামানুযায়ী। ধুমকেতুর দ্বৈত নামকরণ যদি কোন ধুমকেতু […]

images 24
মহাবিশ্ব

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি কত বড়?

বিজ্ঞানীদের অনুমান, আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথে মোটামুটি ৩০ হাজার কোটি (৩০০,০০০,০০০,০০০) নক্ষত্র আছে। সংখ্যাটি এতই বিশাল যে তা কল্পনা করাটাও বেশ জটিল একটি বিষয়। একটি উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাপারটা সহজ করে বুঝে নেওয়া যাক! সাগরসৈকতের বালুকণার সঙ্গে তুলনা করে সংখ্যাটা কিছুটা বুঝতে সুবিধা হবে। ধরা যাক, প্রতিটি বালুর কণা হলো একেকটি নক্ষত্র। এখন যদি কেউ এক মুঠো […]

images 22 1
মহাবিশ্ব

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ

আকাশগঙ্গা একটি ছায়াপথ। সৌরজগতের কেন্দ্র সূর্য এই ছায়াপথের অংশ। অর্থাৎ আমরা থাকি এই ছায়াপথে। সূর্য এবং তার সৌরজগতের অবস্থান এই ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৭০০০ আলোকবর্ষ দূরে ।আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কালপুরুষ বাহুতে। এটি একটি দন্ডযুক্ত সর্পিলাকার ছায়াপথ, যা স্থানীয় ছায়াপথ সমষ্টির একটি সদস্য। আকাশগঙ্গার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক উপগ্রহ ছায়াপথ এবং নিকটস্থ ছায়াপথ অ্যান্ড্রোমিডাও এই সমষ্টির সদস্য। […]

images 16 1
মহাবিশ্ব

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি নামের উৎপত্তি

গ্যালাক্সি (বাংলায় ছায়াপথ বলে) হচ্ছে গ্যাস, ধুলা, কোটি কোটি নক্ষত্র ও তাদের অন্তর্গত গ্রহ, গ্রহাণু, অজানা বস্তু (Dark Matter) এসবের একটি সমন্বয়, যা মহাকর্ষ বলের কারণে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত কিংবা আবদ্ধ থাকে। গ্যালাক্সির কেন্দ্রে থাকা সুবিশাল কোন ভরকেন্দ্রকে ঘিরে এরা প্রদক্ষিণ করতে থাকে। একটি গ্যালাক্সিতে এর আকার ও গঠন অনুযায়ী কয়েকশত […]

images 13
মহাবিশ্ব

ছায়াপথ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

ছায়াপথ হচ্ছে মহাবিশ্বের অন্যতম প্রধান স্থাপনা! গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ একটি অতি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাজমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু বা ডার্ক ম্যাটার দ্বারা গঠিত। একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাই একটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। কিন্তু […]

images 10
মহাবিশ্ব

গ্যালাক্সি গবেষণার ইতিহাস

পারস্যদেশীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল সুফি সর্বপ্রথম কুণ্ডলাকার গ্যালাক্সির বর্ণনা করেন। তার বর্ণনাটি ছিল ধ্রুবমাতা মণ্ডলের একটি গ্যালাক্সির। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও গ্যালিলি একটি দূরবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারা রাতের আকাশে আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণ করেন যা তখন আকাশে আলোর একটি উজ্জ্বল ব্যান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। তিনি দেখেন যে এটি অসংখ্য ক্ষীণ আলোকবিশিষ্ট তারার সমন্বয়ে গঠিত। ১৭৫৫ সালে ইমানুয়েল কান্ট টমাস […]

গ্যালাক্সি কী
মহাবিশ্ব

গ্যালাক্সি কী?

গ্যালাক্সি হল মহাবিশ্বের অন্যতম প্রধান স্থাপনা ! গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ একটি অতি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাজমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু বা ডার্ক ম্যাটার দ্বারা গঠিত। একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাই একটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। […]

images 2 1
মহাবিশ্ব

গ্রহ কত প্রকার ও কি কি?

গ্রহদেরকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: 1/ভূসদৃশ গ্রহ (Terrestrial Planet):   যে সকল গ্রহ গুলো মোটামুটি পৃথিবী সদৃশ দেখতে, অর্থাৎ যেসকল গ্রহ গুলো পাথর, কঠিন ভূপৃষ্ঠ,  ধাতব্য পদার্থ,  গলিত ভারী ধাতুর কোর, কিচু সংখ্যক উপগ্রহ,  আগ্নেয়গিরির এবং খাদের সমন্বয়ে গঠিত তাদের ভূসদৃশ বা Terrestrial Planets (গ্রহ)  বলে। এই গ্রহ সমূহের তালিকায় আছে, বুধ (Mercury), শুক্র (VENUS), পৃথিবী (EARTH), […]