images 22 1
মহাবিশ্ব

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি বা আকাশগঙ্গা ছায়াপথ

আকাশগঙ্গা একটি ছায়াপথ। সৌরজগতের কেন্দ্র সূর্য এই ছায়াপথের অংশ। অর্থাৎ আমরা থাকি এই ছায়াপথে। সূর্য এবং তার সৌরজগতের অবস্থান এই ছায়াপথের কেন্দ্র থেকে প্রায় ২৭০০০ আলোকবর্ষ দূরে ।আকাশগঙ্গা ছায়াপথের কালপুরুষ বাহুতে। এটি একটি দন্ডযুক্ত সর্পিলাকার ছায়াপথ, যা স্থানীয় ছায়াপথ সমষ্টির একটি সদস্য। আকাশগঙ্গার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক উপগ্রহ ছায়াপথ এবং নিকটস্থ ছায়াপথ অ্যান্ড্রোমিডাও এই সমষ্টির সদস্য। […]

images 16 1
মহাবিশ্ব

মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি নামের উৎপত্তি

গ্যালাক্সি (বাংলায় ছায়াপথ বলে) হচ্ছে গ্যাস, ধুলা, কোটি কোটি নক্ষত্র ও তাদের অন্তর্গত গ্রহ, গ্রহাণু, অজানা বস্তু (Dark Matter) এসবের একটি সমন্বয়, যা মহাকর্ষ বলের কারণে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে একে অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত কিংবা আবদ্ধ থাকে। গ্যালাক্সির কেন্দ্রে থাকা সুবিশাল কোন ভরকেন্দ্রকে ঘিরে এরা প্রদক্ষিণ করতে থাকে। একটি গ্যালাক্সিতে এর আকার ও গঠন অনুযায়ী কয়েকশত […]

images 13
মহাবিশ্ব

ছায়াপথ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছিল?

ছায়াপথ হচ্ছে মহাবিশ্বের অন্যতম প্রধান স্থাপনা! গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ একটি অতি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাজমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু বা ডার্ক ম্যাটার দ্বারা গঠিত। একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাই একটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। কিন্তু […]

images 10
মহাবিশ্ব

গ্যালাক্সি গবেষণার ইতিহাস

পারস্যদেশীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী আল সুফি সর্বপ্রথম কুণ্ডলাকার গ্যালাক্সির বর্ণনা করেন। তার বর্ণনাটি ছিল ধ্রুবমাতা মণ্ডলের একটি গ্যালাক্সির। ১৬১০ সালে গ্যালিলিও গ্যালিলি একটি দূরবীক্ষণ যন্ত্র দ্বারা রাতের আকাশে আকাশগঙ্গা গ্যালাক্সি পর্যবেক্ষণ করেন যা তখন আকাশে আলোর একটি উজ্জ্বল ব্যান্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। তিনি দেখেন যে এটি অসংখ্য ক্ষীণ আলোকবিশিষ্ট তারার সমন্বয়ে গঠিত। ১৭৫৫ সালে ইমানুয়েল কান্ট টমাস […]

গ্যালাক্সি কী
মহাবিশ্ব

গ্যালাক্সি কী?

গ্যালাক্সি হল মহাবিশ্বের অন্যতম প্রধান স্থাপনা ! গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ মহাকর্ষীয় শক্তি দ্বারা আবদ্ধ একটি অতি বৃহৎ সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা যা তারা, আন্তঃনাক্ষত্রিক গ্যাস ও ধূলিকণা, প্লাজমা এবং প্রচুর পরিমাণে অদৃশ্য বস্তু বা ডার্ক ম্যাটার দ্বারা গঠিত। একটি আদর্শ ছায়াপথে ১০ মিলিয়ন থেকে এক ট্রিলিয়ন পর্যন্ত তারা থাকে যারা সবাই একটি সাধারণ মহাকর্ষীয় কেন্দ্রের চারদিকে ঘূর্ণায়মান। […]

images 2 1
মহাবিশ্ব

গ্রহ কত প্রকার ও কি কি?

গ্রহদেরকে দুটি ভাগে ভাগ করা যায়: 1/ভূসদৃশ গ্রহ (Terrestrial Planet):   যে সকল গ্রহ গুলো মোটামুটি পৃথিবী সদৃশ দেখতে, অর্থাৎ যেসকল গ্রহ গুলো পাথর, কঠিন ভূপৃষ্ঠ,  ধাতব্য পদার্থ,  গলিত ভারী ধাতুর কোর, কিচু সংখ্যক উপগ্রহ,  আগ্নেয়গিরির এবং খাদের সমন্বয়ে গঠিত তাদের ভূসদৃশ বা Terrestrial Planets (গ্রহ)  বলে। এই গ্রহ সমূহের তালিকায় আছে, বুধ (Mercury), শুক্র (VENUS), পৃথিবী (EARTH), […]

images 1
মহাবিশ্ব

গ্রহ কি?

যেসব জ্যোতিষ্কের নিজস্ব আলো নেই, তাদের গ্রহ বলে। যেমন – পৃথিবী, বুধ, শুক্র, বৃহস্পতি ইত্যাদি। এক কথায় যেসব বস্তু সূর্যের চারদিকে ঘুরে তাদেরকে গ্রহ বলা হয়। গ্রহের সংজ্ঞা এই শব্দযুগলটি প্রাচীন গ্রীকদের দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল, যা মহাবিশ্বে অবস্থিত বিভিন্ন মহাকাশীয় বস্তুদের মধ্যে কাদের গ্রহ বলা যাবে তা বিস্তৃত পরিসরে ব্যাখ্যা করেছে। গ্রহ কাকে বলে? […]

download 1
মহাবিশ্ব

সুপারনোভা কি পৃথিবীর জন্য ক্ষতিকর?

অতিপ্রাচীন কাল থেকে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সুপারনোভার সাথে পরিচিত। হাজার বছর আগের প্রযুক্তি বর্তমান কালের মত ছিল না। প্রাচীনকালে জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চা কেবলমাত্র খালি চোখে আকাশ পর্যবেক্ষণের উপর নির্ভর করতেন। কিন্তু অনুসন্ধানী মানুষের কাছে ঠিকই ধরা পরেছে সুপারনোভা বা অতি-নবতারা। বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এসে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সুপারনোভা অনুসন্ধানের জন্য কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত টেলিস্কোপ এবং চার্জ কাপল্‌ড ডিভাইস তথা CCD […]

images 57
মহাবিশ্ব

সুপারনোভা কী?

সুপারনোভা হল এক ধরনের নাক্ষত্রিক বিস্ফোরণ প্রক্রিয়া, যার কারণে একটি নক্ষত্র ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়ে যায় এবং অবশেষরূপে থাকে শীতল নীহারিকা এবং ব্ল্যাকহোল। সকল নক্ষত্রের মতো আমাদের সূর্যেরও একদিন এই পরিণতি ঘটবে। একটি নক্ষত্রের ঔজ্জ্বলতায় খুব দ্রুত এবং শক্তিশালী পরিবর্তনকে নোভা বলে। সুপারনোভা হল নক্ষত্রের বিস্ফোরণ। নক্ষত্রের জ্বালানি হাইড্রোজেন। নিউক্লিয়ার ফিউশনের ফলে এই হাইড্রোজেন হিলিয়ামে পরিণত হয় […]

images 51
মহাবিশ্ব বিজ্ঞান

অরোরার বাহার

অরোরা বা মেরুজ্যোতির রঙ নির্ভর করে কোন গ্যাসীয় পরমাণু ইলেক্ট্রন দ্বারা উদ্দীপ্ত হচ্ছে, এবং এই প্রক্রিয়ায় কত শক্তি বিনিময় হচ্ছে তার উপর। মানুষ ভালোবাসে প্রকৃতি, ভালোবাসে প্রকৃতির সৌন্দর্য্যকে। যতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য রয়েছে তারমধ্যে অরোরা যেনো এক বিশেষ স্হান দখল করে আছে। আমাদের ভৌগোলিক অবস্হান বিষুবরেখা থেকে ২৬৭০ কি.মি উত্তরে। কিন্তু উত্তর মেরু থেকে ৭,৩৪১ কি.মি […]