আমাদের গ্রহ পৃথিবী

গ্রহ পৃথিবী

আমাদের গ্রহ পৃথিবী সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী পৃথিবী তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। সৌরজগতের সবচেয়ে ঘনত্বযুক্ত এবং চারটি কঠিন গ্রহের মধ্যে পৃথিবী  একটি। সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে একমাত্র পৃথিবীতেই প্রাণের বিকাশ সম্ভব। গ্রহগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র পৃথিবীই জীবজন্তু এবং উদ্ভিতের জীবন ধারণের জন্যে আদর্শ গ্রহ।

earth4

নামকরণ

‘পৃথিবী’ একটি সংস্কৃত শব্দ। পৃথিবীর অপর নাম ‘পৃথ্বী’। পৃথ্বী ছিল পৌরাণিক পৃথুর রাজত্ব। পৃথিবীর আর একটি নাম হচ্ছে ‘নীল্গ্রহ’। ইংরেজি ভাষায় পৃথিবীকে আর্থ(Earth) বলে। গ্রিক ভাষায় ‘গাইয়া’ এবং লাতিন ভাষায় ‘টেরা’ বলে পরিচিত আমাদের গ্রহ পৃথিবী । এর সমার্থক শব্দগুলো- বিশ্ব, বসুধা, বসুন্ধরা, ধরা, ধরনী, ধরিত্রী, ধরতল, ভূমি, ক্ষিতি, মহী, দুনিয়া ইত্যাদি।

পৃথিবীর সৃষ্টি

৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল। সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে পৃথিবী এবং থিয়া নামের একটি  গ্রহের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছিল। সংঘর্ষের তীব্রতার ফলে গ্রহ দুটি একসাথে জুড়ে যায়, তৈরি হয় নতুন পৃথিবী যেখানে আমরা বসবাস করি। সংঘর্ষের সময় থিয়া নামের গ্রহটি পরিণত হচ্ছিল এবং পৃথিবীর বয়স ছিল ১০ কোটি বছর। ঠিক সেই সময় সংঘর্ষ হয় এবং সৃষ্টি হয় আমাদের গ্রহ পৃথিবী এর।

আদিম পৃথিবীর গঠন

প্রায় চার দশমিক পাঁচ চার কোটি বছর আগে আদিম পৃথিবীর সৃষ্টি হয়। তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি মেঘ থেকে সৌর নীহারিকা মহাকর্ষীয় ধসের মাধ্যমে কিছু আয়তন বের করে নেয়, যা ঘুরতে শুরু করে এবং চ্যাপ্টা হয়ে তৈরি হয় পরিনাক্ষত্রিক চাকতিতে, এবং এই চাকতি থেকেই উৎপত্তি হয় সূর্য এবং অন্যান্য গ্রহের। একটি নীহারিকাতে বায়বীয় পদার্থ, বরফকণা এবং মহাজাগতিক ধুলি থাকে। নীহারিকা তত্ত্ব অনুযায়ী সংযোজন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অতিক্ষুদ্র গ্রহগুলি গঠিত হয়। এভাবে আদিম পৃথবীর গঠিত হতে প্রায় ১ থেকে ২ কোটি বছর লেগেছিল।

earth2
পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ চাঁদ

চাঁদের উৎপত্তি

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। চাঁদের গঠন নিয়ে গবেষণা চলছে। ধারণা করা হয় চাঁদ গঠিত হয়েছিল প্রায় ৪ দশমিক পাঁচ তিন বিলিয়ন বছর পূর্বে। একটি গবেষণারত অনুমানের তথ্য অনুসারে, মঙ্গল গ্রহ আকারের বস্তু থিয়ার সাথে পৃথিবীর আঘাতের পরে পৃথিবী থেকে খসে পড়া বস্তুর পরিবৃদ্ধির ফলে চাঁদ গঠিত হয়। প্রায় ৪ দশমিক এক থেকে তিন দশমিক পাঁচ বিলিয়ন বছরের মধ্যে অজস্র গ্রহাণুর আঘাত ঘটে যার ফলে ফলে চাঁদের বৃহত্তর পৃষ্ঠতলের ব্যাপক পরিবর্তন হয়। এর কারণ হচ্ছে পৃথিবীর উপস্থিতি।

ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল এবং সাগরসমূহের সৃষ্টি হয়  আগ্নেয়গিরির উৎগিরণ ও জলীয় বাষ্প সমৃদ্ধ গ্যাসের অতি নির্গমনের ফলে। সাগরসমূহের উৎপত্তি গ্রহাণুপুঞ্জ, ক্ষুদ্র গ্রহ ও ধূমকেতু থেকে আসা ঘনীভূত জল ও বরফের সম্মিলনে। ফেইন্ট ইয়ং সান প্যারাডক্স মডেলে বলা হয়, যখন নব গঠত সূর্যে বর্তমান সময়ের চেয়ে মাত্র ৭০% সৌর উজ্জ্বলতা ছিল তখন বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাস সাগরের পানি বরফ হওয়া থেকে বিরত রাখে। পৃথিবীর বহিরাবরণ সৃষ্টি হয়েছে যখন পৃথিবীর গলিত বাইরের অংশ ঠান্ডা হয়ে শক্ত হয়।

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র গঠিত হয় প্রায় সাড়ে তিন বিলিয়ন বছর পূর্বে, যা সৌর বায়ুর ফলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে উড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। মহাদেশসমূহ পৃথিবীর অভ্যন্তরে লাগাতার তাপ হ্রাস পাবার ফলে ভূত্বকীয় পাত গঠিত হয়েছে।

বরফ যুগ

বরফ যুগের বর্তমান রূপ শুরু হয় প্রায় ৪ কোটি বছর পূর্বে। ৩০ লক্ষ বছর পূর্বে প্লাইস্টোসিন সময়ে তা ঘনীভূত হয়। ৪০,০০০ থেকে ১০০,০০০ বছর পূর্বে হিমবাহ ও বরফ গলার কারণে উচ্চ- অক্ষাংশে অঞ্চলসমূহ উচ্চতা কমতে থাকে। সর্বশেষ মহাদেশীয় হিমবাহটির সমাপ্তি ঘটে ১০,০০০ বছর পূর্বে।

earth9

ভূ- অভ্যন্তরীণ গঠন

পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ গঠণ এবং বিভিন্ন স্তর বিন্যাস সম্বন্ধে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা একটি কষ্টসাধ্য কাজ। কিন্তু ভূ- অভ্যন্তরে ভূ-কম্পীয় গতি ও প্রকৃতির তারতম্য লক্ষ্য করে ভূতত্ত্ববিদগণ ভূঅভ্যন্তরকে তিনটি স্তরে বিভক্ত করেছেন।

১। কেন্দ্রমন্ডলঃ গোলাকার পৃথিবীর ব্যাসার্ধ প্রায় ৬৩৭১ কিমি। পৃথিবীর যে কেন্দ্রের চারদিকে প্রায় ৩৪৮৬ কিমি ব্যাসার্ধের গোলক রয়েছে সে গোলকটিকে কেন্দ্রমন্ডল বলা হয়। এ স্তরে নিকেল ও লৌহের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি নাঈফ নামে পরিচিত। এছাড়াও কেন্দ্রমন্ডল পারদ, সীসা  এবং বিভিন্ন কঠিন ও ভারী পদার্থ দ্বারা গিঠিত।

২। গুরুমন্ডলঃ কেন্দ্রমন্ডলের উপর থেকে চারদিকে প্রায় ২৮৮৫ কিমি পর্যন্ত মণ্ডলকে গুরুমন্ডল বলে। সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম দ্বারা গঠিত বলে একে সিমা বলে। এছাড়াও উপরাংশে ১৪৪৮ কিমি স্তরে ব্যাসল্ট জাতীয় উপাদান দ্বারা গঠিত হওয়ায় একে ব্যাসল্ট অঞ্চলও বলে।

৩। অশ্বমন্ডলঃ গুরুমন্ডলের উপরের অংশই অশ্বমন্ডল। এর গভীরতা মহাদেশীয় অঞ্চলের নিচে সবচেয়ে বেশি এবং মহাসাগরের নিচে সবচেয়ে কম। সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ বেশি হওয়ায় একে সিয়াল স্তর বলে। এছাড়াও এই স্তরে অক্সিজেন, লৌহ, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম প্রভৃতি রয়েছে। অশ্বমন্ডলের উপরিভাগকে ভূত্বক ও নিম্নভাগকে ভূত্বকের নিম্নাংশ বলে।

বাহ্যিক গঠন

ভূত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিমি বৃদ্ধিতে ৩০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। ভূত্বকের উপরের দিকে বাহ্যিক অবয়বগুলো যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি ইত্যাদি থাকে। পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন পৃথিবীর উপরিভাগের বিচিত্রময় ভূমিরূপ সমূহ নিয়ে সজ্জিত। পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপ গুলোর মধ্যে আকৃতি, প্রকৃতি এবং গঠঙ্গত দিক থেকে পার্থক্য রয়েছে। কোথাও পাহাড়, কোথাও মাল্ভুমি।

ভৌগোলিক দিক থেকে পৃথিবীর সমগ্র ভূমিরূপকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১। পর্বত

২। মালভূমি

৩। সমভূমি

অভ্যন্তরীণ  তাপ

পৃথিবীর তাপমাত্রা হতে পারে ৬,০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি। চাপ পৌঁছাতে পারে ৩৬০ গিগা প্যাসকেল অবধি। পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ তাপের উৎপত্তি হয় গ্রহের পরিবৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট তাপের অবশিষ্ট অংশ এবং তেজস্ক্রিয়তার ফলে তাপের সংমিশ্রণে। পৃথিবীতে থাকা সবচেয়ে বেশি তাপ উৎপাদনকারী আইসোটোপ গুলো হলো, পটাশিয়াম-৪০, ইউরেনিয়াম-২৩৮, থোরিয়াম-২৩২।

earth10

জলমণ্ডল

পৃথিবীর জলমণ্ডলের মধ্যে রয়েছে পৃথিবীপৃষ্ঠের সকল পানি। মহাসাগরগুলো বিশেষভাবে অন্তর্ভুক্ত। মাটির  ২,০০০ মিটার নিচের পানিও জলমন্ডলের অন্তর্ভুক্ত। মোট পানির ৯৭.৫% লবণাক্ত, বাকি আড়াই ভাগ মিঠা পানি। মিঠা পানি প্রায় ৬৮ দশমিক ৭ ভাগ উপস্থিত রয়েছে আইস ক্যাপে এবং হিমবাহ রূপে।

বায়ুমণ্ডল

পৃথিবীর চারপাশে ঘিরে থাকা বিভিন্ন গ্যাস মিশ্রিত স্তরকে পৃথিবী তার মধ্যাকর্ষণ শক্তি দ্বারা ধরে রাখে, একে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বা আবহমণ্ডল বলে। এই বায়ুমণ্ডল অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব বজায় রাখে।

সাড়ে আট কিমি উচ্চতা স্কেলযুক্ত বায়ুমন্ডল পৃথিবী পৃষ্ঠে গড় বায়ুমণ্ডলীয় চাপ প্রয়োগ করে ১০১ দশমিক ৩২৫ কিলো প্যাসকেল। এটি গঠিত ৭৮% নাইট্রোজেন, ২১% অক্সিজেন এবং সামান্য পরিমাণে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই অক্সাইড নিয়ে।

earth11
আমাদের গ্রহ পৃথিবী

আবহাওয়া

আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলীয় অবস্থা। সাধারণত এক দিনের রেকর্ডকে আবহাওয়া বলে। আবহাওয়া নিয়ত পরিবর্তনশীল একটা চলক।

জলবায়ু

কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার উপাত্তের ভিত্তিতে তৈরি হপ্য সে স্থানের জলবায়ু। পৃথিবী পৃষ্ঠকে কিছু সুনির্দিষ্ট অক্ষ রেখায় উপরিভাজন করা যায় যেখানে মোটামোটি একই জলবায়ু বিরাজ করে। নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে মেরু অঞ্চল পর্যন্ত বিজারমান এই জলবায়ুগুলো হল ক্রান্তীয় জলবায়ু, উপক্রান্তীয় জলবায়ু ও মেরু অঞ্চলের জলবায়ু।

চৌম্বক ক্ষেত্র

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের মূল অংশটি উৎপন্ন হয় এর ভূকেন্দ্রে, ডায়ানামা প্রক্রিয়ায়, তাপীয় ভাবে ও গাঠনিক ভাবে উৎপন্ন গতিশক্তির পরিবর্তন ঘটে পরিচলন পদ্ধতিতে পরিবাহিত হয় তড়িৎ শক্তি ও পরিচলন পদ্ধতিতে পরিবাহিত হয় তড়িৎ শক্তি ও চৌম্বক শক্তিতে।

পৃথিবীর গতি

মহাকর্ষ শক্তির দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবী নিজ অক্ষে আবর্তন করছে এবং নির্দিষ্ট কক্ষপথে সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ থেকে। পৃথিবীর গতি দুই প্রকার। যথা-১। আহ্নিক গতি ২। বার্ষিক গতি

আহ্নিক গতি( Diurnal Motion)

পৃথিবী মেরুরেখার পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে আবর্তন করছে। এভাবে আবর্তন করতে পৃথিবীর সময় লাগে ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড। এ গতিকে আহ্নিক গতি বলে।

আহ্নিক গতির ফলে চাঁদ ও সূর্যের আকর্ষণে পৃথিবীতে জোয়ার ভাটা হয়। আহ্নিক গতি সমুদ্রস্রোত ও বায়ুপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

বার্ষিক গতি( Annual Motion)

উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবী অবিরাম ঘুরতে ঘুরতে নির্দিষ্ট দিকে এবং নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে পরিক্রমণ করছে। পশ্চিম থেকে পূর্বে পৃথিবীর এই প্রদক্ষিণকে বার্ষিক গতি বলে। একটি পূর্ণ পরিক্রমণের জন্যে সময় লাগে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড। কিন্তু ৩৬৫ দিনে সৌর বছর গণনা করা হয়। প্রতি চার বছরে একদিন বাড়িয়ে ৩৬৬ দিনে বছর হিসাব করা হয়। সে বছর ফেব্রুয়ারি মাস ২৯ দিন গণনা করা হয়। একে অধিবর্ষ বা লিপইয়ার বলে। বার্ষিক গতির কারণে পৃথিবীর দিন রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি ও ঋতু পরিবর্তন ঘটে।

earth3

জীবের বাসযোগ্য হওয়ার কারণ

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের প্রাধান্য আছে। সকল প্রাণীর জন্য অক্সিজেন আবশ্যক। সূর্যের গ্যাসীয় উপাদান- কার্বন ডাই অক্সাইড ও অক্সিজেন উদ্ভিদ ও প্রাণীকে বাঁচিয়ে রাখে। বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে আদ্রতা, কুয়াশা, মেঘ, বৃষ্টি বায়ুপ্রবাহ ইত্যাদি। এইসব প্রানীর জীবনধারনে কাজে লাগে। ওজন স্তর সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে ৪০ ডিগ্রি পর্যন্ত এনে পৃথিবীকে বাসযোগ্য করে। এছাড়াও জীবজন্তুর বেঁচে থাকার জন্যে পৃথিবীতে প্রয়োজনীয় আলো, বাতাস ও পানি রয়েছে।

কৃত্রিম উপগ্রহ

কৃত্রিম উপগ্রহ হলো মহাকাশে উৎক্ষেপিত বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় উদ্ভাবিত উপগ্রহ। জুন ২০১৬ এর হিসাব অনুযায়ী পৃথিবীর কক্ষপথে ১৪১৯ টি কৃত্রিম উপগ্রহ ছিল। এছাড়াও প্রাচীন কৃত্রিম উপগ্রহ ভ্যানগারড-১ সহ ১৬০০০ খন্ড অক্ষম উপগ্রহ রয়েছে। সর্ববৃহৎ কৃত্রিম উপগ্রহটি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ কেন্দ্র। বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম উপগ্রহ হচ্ছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১২ই মে বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭ তম দেশ হিসেবে তার নিজিস্ব স্যাটেলাইট মহাকাশে প্রেরণ করে।

earth12
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট

বুধ সম্পর্কে জানতে বুধ গ্রহ নিয়ে যত কথা

শুক্র গ্রহ সম্পর্কে জানতে দেখুন

বৃহস্পতি গ্রহ সম্পর্কে জানতে

Leave a Reply

Your email address will not be published.