উপসাগরীয় রাষ্ট্র বলতে কি বুঝ?

উপসাগরীয় রাষ্ট্র

পারস্য সাগর ও মেক্সিকান সাগরের তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলোকে উপসাগরীয় রাষ্ট্র বলা হয়। আন্তর্জাতিক অঞ্চলের মধ্যে পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকান উপসাগর অন্যতম। সুপ্রাচীনকাল হতে বিশ্বের ইতিহাসে পারস্য উপসাগর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে পারস্য উপসাগরীয় দ্বীপ বা উপদ্বীপ অঞ্চলকে উপসাগরীয় রাষ্ট্র বলা হয়।

উপসাগরীয় রাষ্ট্র

উপসাগরীয় রাষ্ট্র বলতে এমন কতকগুলো অঞ্চলকে বুঝায় যা একটি স্থলবেষ্টিত জলভাগকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে এবং তাদের জীবিকা নির্বাহ করে একে কেন্দ্র করে। পারস্য উপসাগর ও মেক্সিকান উপসাগরের পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে যেসব দেশ অবস্থিত, সেগুলোকে উপসাগরীয় রাষ্ট্র বলে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের সীমান্তে যে সাতটি আরব দেশ অবস্থিত সেগুলোকে উপসাগরীয় রাষ্ট্র নামে অভিহিত করা হয়। এগুলো হলো কুয়েত, বাহরাইন, ইরাক, ওমান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। একমাত্র ইরাক ছাড়া বাকি ছয়টি দেশ নিয়ে উপসাগরীয় কর্পোরেশন কাউন্সিল বা জি. সি. সি. গঠন করা হয়েছে। Gulf State বা উপসাগরীয় রাষ্ট্র সম্পর্কে, Oxford Advanced Learners Dictionary তে বলা হয়েছে, “The Gulf State are the countries with coastson the gulf’’ অর্থাৎ, উপসাগরীয় রাষ্ট্র এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত বা একটি বৃহৎ সাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে, যার চতুর্দিকে ভূমি দ্বারা গঠিত।

মধ্যপ্রাচ্য তথা মুসলিম বিশ্বের ইতিহাসে পারস্য উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহের গুরুত্ব অপরিসীম। পারস্য উপসাগরকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয়। উপসাগরীয় রাষ্ট্রসমূহ বিশ্ব তথা মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.