আলেপ্পো
ইতিহাস

আলেপ্পো সম্পর্কে কি জান?

মধ্যপ্রাচ্যের একটি অন্যতম দেশ সিরিয়া। সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত আলেপ্পো ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র। অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের পাশাপাশি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে পরিচালিত বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবেও এর যথেষ্ট খ্যাতি রয়েছে।

আলেপ্পো রাজ্যের পরিচিতি

১৯২০ সালের ১ সেপ্টেম্বর এক ডিক্রিবলে আলেকজান্দ্রেত্তা জেলাসহ পূর্বতন আলেপ্পো ভিলায়েতকে একটি রাজ্যের পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। বাদশাহ ফয়সালের নেতৃত্বে অভ্যন্তরীণ সিরিয়া রাজ্যে আলেপ্পো ও দামেস্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান করছিল। অথচ দামেস্ক থেকে আলেপ্পাকে বিচ্ছিন্ন করার সময় যুক্ত দেখানো হয়-ভিলায়েত দুটির মধ্যে বৈরিতা বিরাজ করায় তাদেরকে পৃথক করা হলো। তুর্কি সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর জেনারেল করিম পাশা আল-কুদসিকে নবসৃষ্ট রাজ্যটির শাসনকর্তা নিযুক্ত করা হয়। জাতিগত দিক থেকে আলেপ্পোর সাথে সংযুক্তকৃত আলেকজান্দ্রেত্তা জেলার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪০ ভাগ ছিল তুর্কি বংশোদ্ভূত এবং বাকি অংশ খ্রিস্টান ও মুসলিম আরব। এ জেলার তুর্কি অধিবাসীদের সিরীয় আরব সরকারের অধীনে দেখতে তুর্কি সরকার রাজি ছিল না। ১৯২৪ সালে তুর্কি আরব অধ্যুষিত এ জেলাকে স্বায়ত্তশাসিত জেলার মর্যাদা দিয়ে আলেপ্পো হতে পৃথক করা হয়। কিছুটা তুরস্ক হতে সন্তুষ্ট করার জন্য ও কিছুটা ভাগ করার নীতিগত অবস্থান থেকেই ফ্রান্স এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আলেকজান্দ্রেত্তার বর্তমান নাম ইসকেনদারুন, যা ১৯৩৯ সালে এক গণভোটের মাধ্যমে তুরস্কের হাতাই প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর আলেপ্পো বর্তমান সিরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ। আলেপ্পোতে সভ্যতার বিভিন্ন নিদর্শন রয়েছে, যা আলেপ্পোর গুরুত্ব ও ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *